April 20, 2026, 1:34 am

তালায় দুঃসাহসিক চুরি ২৪ ঘন্টার মধ্যে মুলহোতা সহ আটক দুই,চোরাই মাল উদ্ধার

বি এম বাবলুর রহমান তালা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি::তালায় দুটি দোকানে দুধর্ষ চুরির পরে পুলিশের অভিনব কৌশলে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে আন্তজেলা দুধর্ষচোর দলের দু সদস্য গ্রেপ্তার করেছে তালা থানা পুলিশ। এসময় চুরি যাওযা দুটি মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন সহ তালা থানা পুলিশ সহগোটা পুলিশের ভাবমুর্তি তালাবাসির নিকট উজ্জল হয়েছে। তালা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ গত ৫ অক্টোবর যোগদান করেন। তিনি যোগদানের ৫ দিনের মাথায় ১১ অক্টোবর দিবাগত ভোর রাতে ১২ অক্টোবর চুরি সংঘটিত হয়।
অজ্ঞাত আসামিদের নাম উল্লেখ করে তালা থানায় মামলা দায়ের করেন ব্যাবসায়ী মনিরুল ইসলাম তালা থানার মামলা নং ৫ তারিখ ১২-১০- ২০২১ ধরা ৪৬১/৩৮০।
তালা উপশহরের শ্যামল কসমেটিকস্ মালিক অমল দত্ত ও মনিরুল ইসলাম মনির দোকান থেকে নগত দুলক্ষ টাকা ও মালামাল সহ ৪ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়।তালা উপশহরের প্রানকেন্দ্রে দুটি দোকানে দুধর্ষচুরি সংগঠিত হওয়ায় পুলিশ প্রশাসন বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যায়।
পুলিশ জানায়, প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আন্তঃজেলা চোর চক্রের মুল হোতা মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু ( ৪০) পিতা মৃত্যু আব্দুর রব মোল্যা গ্রাম শুয়োখোলা থানা অভয় নগর জেলা যশোর, তার নিজবাড়ি থেকে গতরাতে গ্রেপ্তার করে, এবং অপর সদস্য মোঃ অলিয়ার মোল্যা ( ৪৫) পিতা আব্দুস সামাদ মোল্যা কে গ্রাম দিঘীরপাড় থানা মোকসেদপুর জেলা গোপালগজ্ঞ কে যশোর কোতোয়ালী থানার বস্তি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার কৃত আসামীদের নিকট থেকে চুরি হওয়া ১২ হাজার টাকা চোরাই বিকাশ ব্যাবসার ককাজে ব্যাবহারিত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।
এই অভিযানে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন, ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ, এস,আই কাওছার, এ,এস,আই শামীম, এ,এস,আই আরশাফুল ইসলাম সহ পুলিশের একটি চৌকস টিম দিবারাত্র অভিযান পরিচালনা করে দ্রুত ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার করায় তালা বাজার বনিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ জুনায়েত আকবর সাধারন সম্পাদক সুর্য্যকান্তপাল সহ সকল ব্যাবসায়ী সহ তালাবাসির পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসন কে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা